একতাই বল

ইউএক্স ডিজাইনাররা বেশিরভাগ সময় অন্য সবার এবং সব পরিস্থিতির বা প্রজেক্টের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে । ক্রসফায়ার অবস্থান যাকে বলে আর কি ! ফলে সব সময় তোমাকে প্রস্তুত থাকতে হবে রুম ভর্তি এক গাদা হুমড়া-চোমড়া লোককে তোমার ডিজাইনটি খাওয়ানোর জন্য, মানে তোমাকে বোঝাতে হবে এটাই সঠিক এবং শ্রেষ্ঠ ডিজাইন । এবং শ্রেষ্ঠতা বোঝানোর জন্য তোমার কাছে যথেষ্ঠ তথ্য ও প্রমাণ থাকতে হবে । সত্যিকার ইউএক্স ডিজাইনাররা অনুমান করে কখনও কিছু বলে না বা করে না ।

lesson-10

আগের অধ্যায়ে আমরা জেনেছি যে কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা স্টেকহোল্ডারদের কাছ থেকে রিকয়্যারমেন্ট যোগাড় করতে হবে ।

কিন্তু তোমার নিজের যোগানো তথ্যও আলোচনায় আনতে হবে । অন্য যে কারও তোমার শ্রেষ্ঠ ডিজাইনের ব্যাপারে দ্বিমত থাকতেই পারে । কিন্তু তথ্য প্রমাণ দিয়ে তাকে বোঝাতে হবে অন্য যে কোন ডিজইন থেকে এটা কেন ভাল । অন্যথায় তাদের কি দায় পড়েছে তোমার মনের মাধুরী মেশানো ডিজাইন পছন্দ করার ?

ইউএক্স ডিজাইনার হিসেবে তোমার কাজ হলো কোন কিছু ডিজাইন করার আগেই তোমার ডিজাইনের পক্ষে কি কি যুক্তি আছে তা নিশ্চিত করা । তাহলেই তুমি তোমার আইডিয়াকে প্রতিষ্ঠা করতে পারবে ।

তোমাকে প্রমাণ করতে হবে যে তুমি সঠিক পথেই যাচ্ছ ! প্রথমত নিজের কাছে দ্বিতীয়ত অন্য সকলের কাছে ।

 

বাঁচতে হলে জানাতে হবে

সফল গবেষণা, ভাল তত্ত্ব, এবং ভাল তথ্য নিজেই নিজেকে বোধযোগ্য করে তুলে । ভাল গবেষণা করে, ব্যবহারকারীদেরকে সম্পূর্ণরূপে বুঝে, তাদের সমস্যা ও লক্ষ্য চিহ্নিত করে সময় ও ধৈর্য্য নিয়ে স্টেকহোল্ডারদের তোমার সমাধানের গুরুত্বের  ব্যাপারে যুক্তি দেখাবে । শুরুর দিকে তোমার সমাধানের ব্যাপারে প্রশ্ন থাকলেও এগুলো তাদের তোমার সমাধান ভালভাবে বুঝতে ও অনুধাবন করতে সহায়তা করবে ।

এবং যখনই এমন কোন বিষয় আসবে যা সম্পর্কে নিশ্চিত না, যেমন ব্যবহাকারী (কৃষক বা ছাত্র) কোন রংয়ের বাটন পছন্দ করবে, তখনই এটা নিয়ে পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকবে । পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা এসব মনস্তত্ত্ব এবং সংস্কৃতি বিষয়ে আরো জানবো ।

 

প্রতিজ্ঞা কর: ইউএক্স নিয়ে আমি কখনই, কোন অবস্থাতেই মিথ্যা তথ্য দিব না

যদি কোন প্রশ্নের উত্তর না জান তবে বল “আমি এ ব্যাপারে এখনও জানি না এবং খুব শীঘ্রই জানব” ।

ইউএক্সে “ধর তক্তা মার পেরেক” এর কোন জায়গা নেই । আর এটা করেছ তো মরেছ । নিজের পায়ে কোড়াল মারা যাকে বলে ।

ইউএক্স সম্বন্ধে ইত্যিমধ্যেই অনেকের অনেক ভুল ধারণা আছে । ইন্টারফেস ডিজাইনার মনেই ইউএক্স ডিজাইনার, ফটোশপ আর ইলাস্ট্রেটর পারলেই ইউএক্স ডিজাইনার এমন ধারণা প্রায় সবার মধ্যেই বিরাজমান । এর উপর তুমি যদি ভুল তথ্য দাও সেটা পরিস্থিতিকে এবং ইউএক্স সম্পর্কে আরো খারাপ ধারণা তৈরী করবে । নিজের কবর খোড়ার মতো ব্যাপার আর কি !

আর তুমি ভুল বললে শুধু তোমাকে একা খারাপ ভাববে তা না, সমস্ত ইউএক্স ডিজাইনাদের সম্পর্কেই নেতিবাচক ধারণা তৈরী হবে। তোমার মতামত হয়তো অন্য কারো মতামত থেকে ভাল না কিন্তু তুমি যে তথ্য দিবে তা যেন সঠিক এবং অন্য আর কেউ দিতে না পারে । এটা নিশ্চিত করতে পারলেই তুমি এবং তোমার জাত ভাইদের মঙ্গল হবে, মান ইজ্জত থাকবে, এবং পেটে-ভাতে খেয়ে বাঁচতে পারবে । আর তুমি নিশ্চয়ই কারো পেটে লাত্থি দিতে চাও না !

রিকয়্যারমেন্ট সংগ্রহ করা

ইউএক্স ডিজাইনে সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে তুমি কি করতে পারবে না এবং অবশ্যই কি করবে এই দুটো যত বেশি বুঝতে পারবে ততই ভাল হবে তোমার চূড়ান্ত ডিজাইনটি বা সমাধানটি ।

 

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডিজাইন প্রসেসের উদ্দেশ্য হলো যত বেশি সম্ভব ইন্সপিরেশন বা অনুপ্রেরণা এবং আইডিয়া যোগানো । মোড বোর্ড । ফটো । আরো অনেক কিছু  আছে এমন । শৈল্পিক সৃজনশীলতার কাজ হলো তোমাকে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করা এবং সম্ভাবনা যাচাই করা ।

কিন্তু এভাবে সমস্যার সমাধানে খুব বিশিদূর আগানো যায় না । মানে এভাবে সমস্যার সঠিক সমাধান বের করা সম্ভব হয়ে উঠে না ।

কিন্তু ইউএক্স এ ব্যাপারটা ঘটে অন্য ভাবে । সমস্যাটি ভাল ভাবে বুঝতে গিয়ে তুমি যে সীমাবদ্ধতা এবং বাধা অনুধাবন করেছ সেখান থেকেই সবচেয়ে ভাল আর উপযুক্ত আইডিয়াটি বা সমাধানটি বের হবে ।

সেই সীমাবদ্ধতাগুলো তোমার সহকর্মী বা বস থেকেই আসুক অথবা আগের প্রজেক্টে কাজ করতে গিয়ে জেনেছ, সেগুলোই হলো “রিক্য়্যারমেন্ট”* ।

 

রিকয়্যারমেন্ট তোমাকে ভুল করা থেকে বিরত রাখে

বাস্তব ক্ষেত্রে  ইউএক্স কাজে তোমার কাজ কোম্পানির অন্যান্য অংশকে প্রভাবিত করে: বিক্রয় দল, প্রোগ্রামার, কার্যনির্বাহী, মোটামোটি অনেক কে । তোমার ডিজাইনের ফলে যে সব বিভাগের উপর প্রভাব পড়বে তার প্রত্যেকটার অন্তত একজন  স্টেকহোল্ডারের** (গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) সাথে পূর্বেই আলোচনা সেরে নিবে ।

নিজ থেকে সমস্যা চিহ্নিত কর যেটার সমাধান করা সম্ভব । পণ্যের বা সেবার কোথায় পরিবর্তন আনা যেতে পারে, অথবা এমন কিছু চিন্তা কর যা অবশ্যই যোগ করতে হবে ।

বিক্রয় দলের দারকার এমন একটি সমাধান যা সহজেই বিক্রি করতে পারে । প্রোগ্রমাররা এমন প্রোগ্রাম লিখেছে যা পরিবর্তন করা কষ্ঠসাধ্য । নির্বাহিদের কিছু সুদূরপ্রসারী লক্ষ আছে যা অবশ্যই পূরণ করতে হবে । পিয়ন বা দারোয়ান, তারা হয়তো তোমার ডিজানের কারণে খুব বেশি প্রভাবিত হবে না কিন্তু তাদের গুরুত্ব না দিলে অফিসের অব্স্থা কি হবে আর ১০ মিনিট পর পর চা/কফির কে যোগান দিবে এ ব্যাপারে নিশ্চয়ই ধারণ করতে পারছ !

স্টেকহোল্ডারের সাথে যত বেশি কথা বলবে তত ভুল কম হবে, ফলে বেশি বেশি সময় এবং অর্থ বাঁচাতে পারবে । আর খুব শীঘ্রই তোমার চাকরি না যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকবে ।

তুমি এখন একজন ইউএক্স ডিজাইনার; পরের প্রয়োজনই তোমার প্রয়োজন, পরের সমস্যাই তোমার সমস্যা । ফলে অন্যের প্রয়োজন বা সমস্যাকে নিজের মনে করে কাজ করতে হবে তোমাকে ।

 

স্টেকহোল্ডারদের কখনো সমাধান বা তাদের খায়েশ/ইচ্ছে জিজ্ঞেস করবে না

“রিক্য়্যারমেন্ট” এবং “এক্সপেক্টেশন” বা “প্রত্যাশা” কে গুলিয়ে ফেলো না । দুইটা সম্পূর্ণ দুই বস্তু ।

যখনই কেউ বলবে আমার এটা প্রয়োজন, ওটা প্রয়োজন; মুখে এক সাগর হাঁসি নিয়ে জিজ্ঞেস কর কেন প্রয়োজন? উত্তরটিতে যখনই তুমি কোন এক্সপেক্টেশন বা মতামতের গন্ধ পাবে, আরো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে থাকবে ।

কখনও কখনও কোম্পানিগুলো খারাপ সব আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে থাকে কারণ তাদের ধারনা এর চেয়ে ভাল কোন কিছু করা সম্ভব না । অনেক অনেক অজাচিত আর অকাজের ফিচার যোগ করতে থাকে কারণ কেউ এসবের ব্যাপারে কখনও “না” শব্দটি উচ্চারণ করেনি । আর সফটওয়্যার তৈরীর ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী একটি ভুল ধারণা কাজ করে, যত বেশি ফিচার তত ভাল । কিন্তু এর চেয়ে বড় ভুল ধারণা খুব কমই আছে ।

no-wishes

* Requirement – কোন প্রজেক্টের প্রয়োজনীয়তার বা যে সব সীমাবদ্ধতা থাকে তার তালিকা । যেমন ধর, চা খেতে গিয়ে তুমি যেমন বল মাম্মা, ৪ চামচ চিনি দিয়েন, পুদিনা পাতা আর আদা বাড়াইয়া দিয়েন । এ সবই চা এর রিকয়্যারমেন্ট ।  আবার আমার বস যেমন কখনও চিনি দিয়ে চা খান না । প্রথমেই চা ওয়ালা মামাকে এটা বরে দিতে হয় । (এখন থেকে রিকয়্যারমেন্ট  ই ব্যবহার করব)

 

** Stakeholder – কোন একটা প্রজেক্টে যারা যারা জড়িত বা প্রোডাক্ট দ্বারা প্রভাবিত হবে । এমনকি যারা শুধুমাত্র অর্থ দিয়ে সাহায্য করবে তারাও । যারা অর্থ সাহায্য করছে, যে কোম্পানি কাজটি করছে, কোম্পানির যে যে কাজটির সাথে যুক্ত, ম্যানেজার, ডেভেলপার, ডিজাইনার, প্রোগ্রামার, টেস্টার, বাজারজাতকরণ দল এবং অবশ্যই ব্যবহারকারী স্টেকহোল্ডারের আওতায় পড়ে ।

How to Use Images Effectively

Images of people, specifically, draw more attention than anything.

 

I already knew it. In social media, web pages, ads, articles with image gets more attraction or attention or hits compared without image. If that image contains real people, draw more attention than anything else. But wanted to burn it with another test.

Here is a statistics from Buffer about Twitter. Tweets with or without image comparison showing below graph:

Source of the above graph.

Now, here is my experiment and result of same Facebook post which shows the impact between image and without image post.

Recently I’ve published a post about How to Conduct User Research. I post it in Facebook as soon as I published in my blog. That wast 48 hours ago. Here is the screenshot of that post and it’s “like” count.

While I am writing this article, 21 August, 2016, more than 48 hours have been passed after the post. But only 4 people liked it. Like rate per hour is 0.083. Notice that, I used image already in the post. The image doesn’t contain any people and doesn’t convey the story of whole article.

Here is another screenshot of the same post with an image.

Within one hour the post got 32 like. In the first hour “like” rate is 32 per hour. In the fifth hour, the like count was seventy plus. Average like per hour is around 15. I just used an image of two people talking, like an interview, which summaries the article contents and heading. Not just any image. It have people, related to the content. The image also tells the story of the context of the user research.

Only difference between these two post was image. Nothing else. I didn’t tested it without image though. But I think, that would also provide the same result with wrong image.

There is one other factor to consider about the situation. The first post was at Friday, all the office are closed and most people doesn’t see these type of serious post, may be. And the second post was today, Sunday, all the people are in office and can see these type of post. Certainly I am not saying that, people are not working and passing time in FB. But reading is always good.

Now some serious business…

Not any image you can use

Like any other contents in the web, images also have copyright. And you can’t use any image you want to use. If the image is taken by you, can use it anywhere you wish to. Other than your own image, you have to buy it or take permission from the image owner.

This is very serious. You could be sued if you get caught.

My rule above all else? Ask permission to use all images. If in doubt, don’t use the image!

 

Things to remember while user image

  • People prefer images over text
  • User image of real people
  • Images draw attention & trigger emotion
  • Combine photos and text to increase viewer retention and engagement.
  • Logos help users to orientate
  • Optimize your images so they load quickly.
  • Present information in visual formats, like infographics.
  • User meaningful images
  • Use high quality images to establish credibility.
  • Background images create atmosphere
  • Use images to support persuasive copy and in calls-to-action.
  • Don’t let graphics look like banner ads
  • Position your lead image to the right or left of the first paragraph in your post.
  • You can use one image per 350 words. Just saying.
  • Use ALT tag and add caption to your photos. It’s good for accessibility, SEO and your health.
  • Use Local images if applicable.
  • Use Images to Illustrate Concepts.

 

Optimize the File Size of Your Images

The average web page is 2099 KB. Images comprise 62% of a page’s total weight.

If you aren’t careful, your site’s dependence on images can actually make the user’s experience worse because it slows down their ability to engage with the site.

There are various free apps that can help you optimize the file size of your images. Here are some of them:

 

References:

How to Conduct User Research

UX is a process. You design something. Take the solution to the users. Test the solution with real users; not the users them self. I am going to look into the complete process of testing a solution with the real users in the wild world of field research.

 

DSCN9742-1

 

Background of the article / Learning the process aka the UX

I’ve been working at a project for more than last one and half year as an UX expert. Design giant Frog and GSMA is helping me to DO UX. They are guiding me to understand the problem properly, come up with hypothesis, proving those hypothesis right or wrong, coming up with as much solutions as possible, proving those ideas wrong (or right), filtering the best suitable idea(s), prototyping them to test, planning and conducting research with real users, synthesizing the findings, refining the solution, implementing the solution, testing the implemented solution with the users who are using, refining, monitoring, measuring and more again refining…cycle of the process. Practically I am learning the whole UX process. Recently I’ve conducted a user research with the live product for another iteration. I will try to discuss the process of user research step by step.

 

Why do we need another user research?

Two months ago we had a user test and in the following iteration workshop we found several issues that needs to understand more. Like why users are not happy with the price model, why users are not referring the service to others etc. We also had few hypotheses based on those issue which we need to prove right or wrong. As a result, we decided to understand those issues by conducting another in depth user test.

 

Planning

Whatever you do in UX, believe me, you have to plan ahead. As much detail as you could make is as much better. Here’s what you should include in the plan:

  • State the research objectives
  • Define hypothesis
  • Define your target participants
    • Define Place to conduct the research
    • Align partners or field facilitators
    • Define support needed from field
  • Define interview methods and tools
  • Define the schedule of the interview
  • Define your research team
  • Create Discussion Guide
  • Note-taking template
  • Day wise activity plan
  • Financial expenditure breakdown
  • Conduct the interview

 

A sample research plan
A sample research plan

 

Those may vary in project to project, situation to situation. All They are not have to have in a plan, but good to have at least these for a successful user research. Here I’ve tried to outline an ideal research plan components.

 

State the research objectives

Define and prioritize specific research objectives. These should be high-level questions area (e.g.”Evaluate the price model farmers are not happy with”). Usually three or four objectives with no more than one to two sub questions each are a good scope for a focused research session.

 

Define Hypothesis

Define and prioritize research hypothesis aligned with the objectives you already defined. The hypotheses drive the development of the discussion guide and will be proved or disproved through the research. Example hypotheses include: “Current price model was not accepted by majority of users because the service didn’t pride the value they are paying for”. Like objective, usually three or four hypotheses are good to have for a research session.

 

Define Your Target Participants

Discuss the type of participants you will seek to interview. Define users you want to interview. It will vary which stage at your service/product. If you are just starting the participants will be one kind. If you have a live service/product like me, you will have different type of participants. For my research I’ve chosen non-users, dropped out users and current users. You have to segment them in different types also, like male, female, literacy level, basic users, expert users etc. You also have to define which type of users ratio to meet your objectives and hypothesis

  • Define Place to conduct the research
    Where you are going to conduct the user research or meet the users. This is depended on where your users are and match with target participants criteria. If you interview 20 people, you should consider moving around to talk with the people. And also you should consider where you stay to conduct the research. The nearer the best. I generally conduct the interview in the farmer house to feel the context properly.
  • Align partners or field facilitators
    You may need to work with partners or field facilitators to collect you target participants. Align them at least 2 weeks ago so they could mobilize their people to get specific users based on participants criteria. They will take time based on the variety of the participants you want. Your partners or field facilitators are the only protector, companion, advisor and savior out there. Treat them as your own team member. Without them, you can’t succeed at the research.
  • Define support needed from field
    You may don’t know the places you have to conduct the research. The participants place, what’s the condition of the road, safety, schedule of the interview and bring or going to the place etc. You will need their support to have a lunch out there. Surely with empty stomach you can’t have a great UX research. So, let them know upfront what kind of support you will need there, so they will be prepared.

 

Define interview methods and tools

Define the interview methods and pacing. Consider different interview methodologies, such as 2-hour in-depth interviews, short intercepts, market visits, Focus Group Discussion (FGD) and expert interviews.

Tools are used to discover user insights such as, which features is most valuable to the users.

  • Card Sort
  • Task Analysis
  • User Journey Map or Experience Map
  • Comics / Storyboard
  • Contextual Inquiry
  • Prototypes (lo & hi fidelity)
  • Customer Interview
  • Customer Observation

 

Define the schedule of the interview

Organize the schedule for field research. When setting up the schedule, consider user schedule and activities around that time depending on your user persona or archetype. In my case (as I work with farmers) I have to consider finding times during farm market days and avoid key harvest times when farmers are most busy. Make sure to include days for rest and synthesis in the schedule. I also had difficulties during week end as field facilitators take leave and farmers are not willing to talk. Consider those issues also while scheduling.

 

Define your research team

Define who should go into the field. UX is all about teamwork. Almost all successful UX have a very good team of various people working together. You have to spend days and night with your team. Team chemistry is very important for your success. Based on your project or situation, you have to build up your team. Try to have a mix of gender, age and language skills.Some one have to ask question, someone will take note of the answers given by users, and someone have to photograph, video graph, record the interview for later review. Which are vital for your synthesis.

 

Create Discussion Guide

Outline topics, questions, and activities you plan to focus on during the interview. This is  the lighthouse in the sea at night of your interview. You need to plan your interview minute by minute with your discussion guide. Where you will start to where you will end. Followings are the key things you should consider while creating your discussion guide:

  • List the key investigation areas
    Start by listing the main areas you need to explore with each group of participants. Usually the interview is shaped around three to four main areas of exploration. Once you have identified them, assign an order, going from the high-level once and then gradually digging deeper into the topic.
  • Detail your questions for each investigation area
    Focus on investigation area per time and list all the questions that come to your mind for that specific theme. Make sure the question encourage participants to share stories and not just answer “yes and no”.
  • Add hypothesis and assumptions
    Consider the main objectives and hypotheses that your team have made and find ways to add them into the questions. Don’t be concerned when asking opinions and that way be wrong; it’s just a way to better articulate the conversations.
  • Design hands-on activities
    Sometimes it’s hard to cover all the points you identify in the discussion guide with direct questions. Review your list of questions at the end and mark the ones that would need the support of physical stimuli to generate more effective discussion.
Sample discussion guide
Sample discussion guide

 

 

Note taking template

Carefully note down what you observe in the field by using a predefined template for data collection and organization. Don’t rely on your memory every on this. Generally you will take several interview a day and you will forget many important points at the end of the day when you come back to synthesis. And forgetting a key point can ruin your product. Take note, whether it’s on a predefined template or anywhere, always. Trust me on this.

 

Day wise activity plan

Define your day wise activity from morning to night. You have to travel, prepare for interview, talk to user one after another, synthesis everyday evening when the memory is still fresh and you still remember the findings, you have to have enough rest, sleep to work next day. This will not work always as you plan, but it’s good to have an idea what’s next.

Sample day wise plan
Sample day wise plan

 

 

Financial Expenditure Breakdown

This is not directly with the users but for you and your company you need to plan about financial needs you will require when you are in the field. You  have travel cost, food cost, lodging cost, you should pay the user you interview for their travel and food if needed. You have to take enough money ideally 10-20% extra for emergency need. Your company also needs to justify and arrange money for the research. At least 1 or 2 week ahead you have to submit the your need so they could arrange it accordingly.

 

Conduct the interview

Have focused one-to-one conversations with selected participants to dig deep into their habits, needs, motivations, and behaviors.

  1. Introduce yourself and the team
    Introduce yourself and explain your research objectives to set clear expectations. Always check in to understand the participants is comfortable with the interview and try to build a context for the conversations before starting.
  2. Approach the interview with structure
    Enabling credibility is essential to set the right tone for the conversations. During the interview it’s important to cover all the aspects mentioned in the guide while remaining open and listening carefully, to shape the dialog around what the participant shares and says.
  3. Ask why
    Always ask why as a way to dig deeper into the answers and uncover hidden needs and motivations. Even when the participants might say something you expect, ask why to understand the key motivation behind his or her actions and answers.
  4. Finish Politely
    At the end of the interview thank the participant and offer a small gift to show appreciation for his or her time If you took photos, let the participant review the photos to make sure he or she is comfortable with them.

If you had a really good interview ask the participant if you could return in the future.

 

More things for user research

You will need few more things to consider before and at the field.

  • Your safety and health is very important to keep up.
  • Respect the culture of the area you are visiting.
  • While you are in user house or farm, be cautious about your behaviour and attitude.
  • Before you photograph, record conversations or capture video always take permission.
  • Take basic medicine with you.
  • Be cautious about food, some region prefer spicy food which your stomach might not tolerate and your whole user research could ruin.
  • Take with you enough stationery items like, printer, pens, markers, sticky notes, enough printed discussion guide, note-taking template, scissors, papers, writing board etc.
  • You should take female member in your team if the area is conservative and women’s are not willing to talk with a male interviewer.
  • Take a translator with you if the region talks with different language from your native language.
  • Drink enough water and take healthy food to keep up your energy.
  • And of course have fun with your work.

 

What’s next of user research?

Now you’ve conducted the interview and finished user research. You have lots of raw data like, notes, photos, videos and memory etc to work with. You have to carefully find out the key findings and come up with a summary report to present to the stakeholders you are working with. Generally it’s done in a presentation with all type of evidences you have with you. The summary should be as specific as possible and evidence based so when you preset you could answer the tough questions you will be asked by the audiences. You should tell your findings as story so viewers could easily understand the fact and context. UX is all about telling stories.

I hope you got a brief idea about how to conduct user research in the field. Please let me know your thoughts, questions, opinions, additional if you feel so. Next time we will talk about how to do Synthesis with these collected data and make sense of them.

 

References & Thanks to:
GSMA mAgri
Frog Design Inc.
Win Miaki Limited

ইউএক্স একটি “প্রসেস” বা “পদ্ধতি”

প্রত্যেকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই ভিন্ন । প্রত্যেকটি টিমই* ই আলাদা । এবং প্রত্যেক ডিজাইনারও তার নিজের মতো । তাই তুমি কিভাবে কাজ কর এ ব্যাপারে জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ ।

 

ডিজাইন নিয়ে কথা বলার সময় “প্রসেস” শব্দটি তুমি অনেক শুনবে । এমনকি এই লেখাতেও শব্দটি অনেকবার ব্যবহার করা হয়েছে ।

আমি হয়ত কখনও বলব, “প্রসেসের একেবারে শুরুর দিকেই ইউএক্স শুরু করা উচিত” অথবা “বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির অনুসরণ খারাপ আইডিয়াকে বেশি দূর আগাতে দেয় না” অথবা “বসকে ফটোশপ করে আর্নল্ড সোয়ার্জনিগারের বডির সাথে তার মাথা বসানোর মাঝমাঝি পর্যায়ে আছি এখন” ইত্যাদি ইত্যাদি ।

তাই তোমাকে এটা সব সময় মনে রাখতে হবে এবং বুঝতে হবে যে, ইউএক্স একটি “প্রসেস” বা “পদ্ধতি” ।

 

ইউএক্স নির্দিষ্ট কোন ঘটনা বা কাজও না

কেউ যদি বলে যে ইউএক্স একবার মাত্র করলেই যথেষ্ঠ, বা প্রজেক্টের যে কোন একটা সময় করলেই হলো, বা যে কেউ একজন কোন রকমে করতে পারলেই হয়ে গেল তাহলে বুঝবে যে সে এখনো ইউএক্সে তোমার চেয়ে কাঁচা । হ্য় তাকে পাকানোর ব্যবস্থা কর নয়তো সটকে পড় । এ সবগুলোই ডাহা মিথ্যা কথা । আখেরে তুমিই বিপদে পড়বে ।

“যে ব্যক্তি কোন রকমে ইউএক্স -করে” সে ইউএক্স ডিজাইনার না । এটা অনেকটা পানির শুধুমাত্র ভিজা অংশটাকেই পানি বলে ধরে নেয়ার মতো ব্যাপার ।

প্রসেস না মেনে ইউএক্স করলে নিশ্চিতভাবেই তুমি একটা খারাপ ইউএক্স প্রসব করবে । “ইউএক্স ছাড়া” বিশ্বজগতে কিছু নেই । যত খারাপ জিনিষই হোক না কেন, তা তোমাকে কোন না কোন অভিজ্ঞতা দিবেই দিবে । খারাপ হোক ভাল হোক ।

গরম তাওয়ায় ৩ সেকেন্ড বসেই দেখ না!

একটা ভাল ইউএক্স ডিজাইন করতে হলে এবং সেটাকে ধরে রাখতে হলে একাধিকবার অনেকগুলো জায়গায় তোমাকে সম্পৃক্ত হতে হবে ।

 

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেরও প্রসেস থাকে

ইউএক্স ডিজাইনার হিসেবে তোমার যে প্রসেস আছে তা তোমাকে তথ্য সংগ্রহ করতে সাহায্য করে, ব্যবহারকারীদের ব্যাপারে গবেষণা করতে ও তাদের সঠিকভাবে বুঝতে সহায়তা করে, সমাধান ডিজাইন করতে কাজে লাগে, সমাধানটি যে সঠিকভাবে প্রয়োগ হয়েছে তা নিশ্চিত করে, এবং সবশেষে ফলাফল পরিমাপ করতে কাজে লাগে ।

কিন্তু তুমি যে প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ কর তাদেরও একটা প্রসেস নিশ্চয়ই আছে । প্রজেক্ট সঠিকভাবে শেষ করার জন্য তারা নিজেদের তৈরী প্রসেস মেনে কাজ করে ।

ইউএক্স ডিজাইনারও এই প্রসেসেরই অংশ । কোডার** আছে, প্রজেক্ট ম্যানেজার আছে, অন্যান্য ডিজাইনার আছে, স্ট্রাটেজিস্ট বা পরিকল্পনাকারী আছে, ব্যবসার লোকজন আছে, সহকারী ম্যানেজার আছে, মিডল বা মধ্য ম্যানেজার আছে, বড় ম্যানেজার আছে, ম্যানেজারের ম্যানেজার আছে । এ সবার সাথে তুমিও পুরো প্রসেসের পাজলের একটা অংশ মাত্র । সবাই মিলে পুরো প্রসেস সম্পন্ন হয় ।

যখন তুমি একটা নতুন প্রজেক্ট শুরু করবে বা নতুন কোন কোম্পানিতে যোগ দিবে সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করবে শুরুতেই এই প্রসেসটা বুঝে নিতে । কিভাবে পুরো প্রসেসটা কাজ করে, কে কে এই প্রসেসের সাথে জড়িত ইত্যাদি । সবাই গুরুত্বপূর্ণ । কাউকে বাদ দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা যাবে না । এমনকি যে ছেলেটি চা দেয়, টেবিল পরিষ্কার করে, সেও খুব গুরুত্বপূর্ণ । চেষ্টা করবে নিজেকে পুরো প্রসেসের একটি অচিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে চিন্তা করতে, ভাল দিকগুলো শিখবে আর কোন কিছু খারাপ মনে হলে তাকে যুক্তি সহকারে উন্নয়নের চেষ্টা করবে । কিন্তু প্রথম কাজ হলো খুব ভালভাবে বুঝে নিয়ে তাতে নিজেেক অচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মানিয়ে নেয়া । এবং কোম্পানি যে পদ্ধতিতে কাজ সম্পন্ন করে তাকে সম্মান করা উচিত, কারণ খুব শীঘ্রই তুমিও এভাবেই কাজ সম্পন্ন করবে ।

 

সব সময় প্রসেস নিয়ে প্রশ্ন কর

তোমার নিজস্ব প্রসেস এবং কোম্পানির প্রসেসের মধ্যে অন্তত একটি বিষয়ে মিল আছে, থাকতে বাধ্য: প্রসেসটাকে আরো ভাল বা উন্নত করার সুযোগ সব সময়ই থাকে ।

কিছু কিছু উন্নয়ন যতটা সহজে বলা যায় ততটা সহজে প্রয়োগ করা যায় না । ইউএক্স সাধারণত কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন একটা ব্যাপার । তাই তোমাকেই খুঁজে বের করতে হবে কোথায় এবং কিভাবে ইউএক্স কে প্রয়োগ করবে । এ ব্যাপারটা কোম্পানির উপর ছেড়ে দিলে হবে না । তোমার কোম্পানি যেভাবে চায় সেভাবে হলে হয়তো ভাল কাজ করবে না, তাই তোমাকে তথ্য এবং উপাত্ত ও যুক্তি দিয়ে তাদেরকে বুঝাতে হবে কোথায় এবং কিভাবে হলে সবচেয়ে ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে । এবং বললেই হবে না, করেও দেখাতে হবে । তবেই তোমার উপর কোম্পানির আস্থা তৈরী হবে।

তু্মিই যদি কোম্পানির প্রথম ইউএক্স ডিজাইনার হও তাহলে সহকর্মী এবং ম্যানেজারদের সাথে কথা বলে তুমি কোথায় কিভাবে কাজ করবে ঠিক করে নিবে । প্রোডাক্ট প্রসেসের যত শুরুর দিকে তুমি যুক্ত হতে পারবে ততই ভাল । বুঝতে এবং বোঝাতে সুবিধা হবে ।

আর অনেক ইউএক্স ডিজাইনারের একজন হলে অন্যান্যদের সাথে আলোচনা কর কিভাবে প্রসেসের উন্নয়ন সাধন করা যায় এবং প্রসেসের কোন অংশে তুমি কাজ করলে সবচেয়ে ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে এবং তুমি তোমার দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারবে আর নতুন নতুন জিনিষ শিখতে পারবে ।

কোম্পানি যদি তোমাকে খারাপ একটি প্রসেসে কাজ করতে বাধ্য করে তবে তা অবশ্যই বলবে । কেন এই প্রসেসটি ভাল না । এবং কিভাবে এর উন্নয়ন করা যায় । কোম্পানির প্রসেস যদি তোমাকে খারাপ কাজ করতে বাধ্য করে তাহলে তা তোমার ইউএক্স প্রসেসের জন্যও ভাল হওয়ার কথা না ।

সুতরাং কথা বলতে হবে! যুক্তি সহকারে!

(মনে রেখ, তুমি প্রসেস পরিবর্তন করলে এবং খারাপ কাজ দিলে, তাহলে কিন্তু সেটা আর প্রসেসের দোষ রইল না । সমস্যা তোমার নিজের মধ্যে । )

 

* Team – কোন কাজ সম্পন্ন করার একটি দল। কাজটি সমাধা করতে যত ধরনের লোক প্রয়োজন সবাই টিমের অংশ (এখন থেকে টিম ই ব্যবহার করব)

** Coder – যে কম্পিউটার কোড করে । সাধারণত প্রোগ্রামার বা ডেভেলপারদের কোডার বলে । সি কোডার, সি++ কোডার, ফ্রন্ট-এন্ড কোডার ইত্যাদি ।

ব্যবহারকারী ও ব্যবসার লক্ষ্য/উদ্দেশ্য

নতুন প্রজেক্ট শুরু করলে ডিজাইনে হাত দেয়ার আগে তোমাকে খুব ভালভাবে বুঝতে হবে ডিজাইনটির মাধ্যমে তুমি কি লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য পূরণ করতে যাচ্ছ ? ব্যবহাকারী এবং ব্যবসা, দুটোর উদ্দেশ্যই পূরণ হতে হবে । ইউএক্স ডিজাইনার হিসেবে সাফল্য পেতে হলে এই উদ্দেশ্য পূরণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই ।

 

ব্যবহারকারীর লক্ষ্য/উদ্দেশ্য

ব্যবহরকারী সব সময়ই কিছু না কিছু চায় । কারণ তারা মানুষ । আর মানুষ সব সময়ই কিছু না কিছু চায়-ই । তারা ফেসবুকে তাদের প্রাক্তন প্রেমিক কি করছে না করছে তা’র উপর নজর রাখতে চায়, ডেটিং সাইটে নিজের পরবর্তী প্রাক্তন প্রেমিক খুঁজতে যায়, অথবা ইউটিউবে রাম-ছাগলের দাঁড়ি দেখতে যায়, তারা কিছু না কিছু চায়-ই । সব সময় ।

 

মাঝে মাঝে তারা আবার গুরুত্বপূর্ন কাজের কাজ কিছুও করতে চায় । শুনেছি ফেসবুক, ইউটিউবে বোরিং হয়ে গেলে প্রায়ই তাদের এ ভিমরতি পায় । পরবর্তীতে অনেকগুলো অধ্যায় আছে ব্যবহারকারীর উপর গবেষণা বিষয়ক । এখন ধরে নেই যে তুমি এরকম কিছু কিছু ইতিমধ্যেই জেনেছ ।

 

ব্যবসার লক্ষ্য/উদ্দেশ্য

ওয়েব সাইট বা এ্যাপ্লিকেশন তৈরীর জন্য প্রত্যেক সংগঠনেরই কিছু না কিছু কারণ থাকে । মুল কারণ যদিও টাকা কামানো, তার পরও কোম্পানির নাম-দাম-পরিচিত বৃদ্ধি করা বা নতুন সদস্য সংগ্রহ সহ আরো অনেক কারণ থাকতে পারে ।

 

সুনির্দিষ্ট ব্যবসায়িক লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ । তোমার উদ্দেশ্য যদি থাকে অ্যাড বিক্রি করবে তাহলে তোমার ইউএক্স স্ট্র্যাটেজি* হবে এক রকম । আবার তোমার উদ্দেশ্য যদি হয় কনডম বিক্রি করবে তাহলে হবে আর এক রকম । সোস্যাল মিডিয়া যেমন, ফেসবুক সেলিব্রেটি বা ইন্সটাগ্রামে বা পিন্টারেস্টে অথবা টুইটারে নাম-ডাক কামাতে চাইলে স্ট্র্যাটেজি হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম ।

 

ব্যবসায়ী বোদ্ধারা এই বিষয়গুলোকে কখনও কখনও “মেট্রিক্স”** বা “কি পরফরমেন্স ইন্ডিকেটর”*** (KPIs) বলে থাকেন ।

 

দুই প্রকার লক্ষ্য/উদ্দেশ্য সমতায় আনা

এবার শুরু হলো আসল আর নকল ইউএক্স ডিজাইনার চেনার পালা । ব্যবসার সব লক্ষ্য/উদ্দেশ্য পূরণ করে বা লাভজনক রেখে ব্যবহাকারীর লক্ষ্য/উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারাটাই আসল ইউএক্স ডিজাইনারের পরিচয় । এটার উল্টাটা কখনই সম্ভব নয় । ব্যবসা লাটে উঠবে, তোমার চাকরি ঐদিনই গন !

 

ইউটিউব বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা রোজগার করে, আর ব্যবহারকারীরা ভাল ও মনের মতো ভিডিও দেখতে চায় । তার ফলে, ভিডিওর মধ্যে বা একই পেজে বিজ্ঞাপন দেয়া যুক্তিসঙ্গত । কিন্তু তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক ভিডিও খুঁজে বের করা খুব সহজ করা বা একই ধরণের ভিডিও দেখতে দিলে ব্যবহারকারীরা আরো বেশি বেশি ভিডিও দেখবে উৎসাহিত হবে, এবং ইউটিউব আরো বেশি বেশি টাকা রোজগার করবে ।

 

তাই লক্ষ্য/উদ্দেশ্যে যদি সমতায় না থাকে তাহলে দু’টির যে কোন একটি সমস্যায় পড়বেই: ব্যবহারকারী যা চায় তাই পাবে কিন্তু ব্যবসা বাড়বে না (প্রচুর ব্যবহারকারী আছে কিন্তু সাফল্য বা ব্যবসা নেই), অথবা ব্যবহারকারী যা চায় তা পাচ্ছে না (ব্যবহারকারী না থাকলে ব্যবসাও থাকবে না, মানে সাফল্য তো চিন্তাই করা যায় না ।)

 

ই্‌উটিউব যদি তোমার ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও দেখার জন্য ২০ মিনিট বিজ্ঞাপন দেখতে বাধ্য করে তাহলে বুঝতেই পারছ কি অবস্থা হবে তাদের ব্যবসার । কারোই এত্ত সময় নেই । লাল বাত্তি তো দুই দিনেই জ্বলবে ইউটিউবের অফিসে ! কিন্তু শাকিরার “হিপস্ ডোন্ট লাই” গান লাইভ দেখার জন্য কয়েক সেকেন্ডের বিজ্ঞাপন তেমন কোন সময়ই মনে হবে না !
lesson-7

 

* Strategy – কোন বিষয় পরিচালনার দক্ষতা; কৌশল বা প্ল্যান বুঝায় । (এখন থেকে স্ট্র্যাটেজি ই ব্যবহার করব)

 

** Metrics – পূর্ব নির্ধারিত মানের সাথে কোন কিছুর পরিমাপ করা । পূর্বেই নির্ধারিত কোন মানের সাথে তুলনা করে পরবর্তীতে তা পরিমাপ করা । যেমন, একটি মোবাইল এ্যাপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে ঠিক করা হলো যে, আগামী সাত দিনের মধ্যে এটা যদি ১০০০০ লক্ষ কপি ডাউনলোড হয় তাহলেই ধরে নিব আমরা সফল ভাবে এটাকে ছড়াতে পেরেছি । এক সপ্তাহ পর যাচাই করা হবে সত্যি সত্যি ১০০০০ কপি ডাউনলোড হয়েছে কি না । হলে সফল না হলে ব্যর্থ ।

 

*** Key Performance Indicator (KPI) – কি হলে সফল/অসফল হয়েছে ধরে নিবে তার মাত্রা নির্ধারণ । সারাদিনে সিগারেট কয়টা খেলে তাকে চেইন স্মুকার বলা হবে তার KPI ঠিক করে তোমাকে বিচার করা । একটা মাত্র ম্যাচের কাঠি ব্যবহার করে কেউ যদি সারা দিন সিগারেট খায় তবে তাকে চেইন স্মুকার বলা হবে । এটা একটা KPI । তুমি যদি সকাল বেলা একটা সিগারেট ধরাও এবং একটা সিগারেটের আগুন দিয়ে পরবর্তী সিগারেট ধরাও এবং এভাবে সারাদিন তুমি সিগারেট খাও তাহলে তুমি “চেইন স্মুকারে”র KPI মিট করবে । তুমি এখন একজন সফল “চেইন স্মুকার” । আর যদি তা’ না করতে পার তবে তুমি “চেইন স্মুকার” না ।

 

Source: UX for Beginners

ক্রমপর্যায়ে ইউএক্সের প্রভাবকসমূহ

ইউএক্স শুধু বাটন বা অয়্যারফ্রেম* থেকে অনেক বেশি কিছু । ডিজাইনের বা স্ক্রিণে যেসব জিনিষ দেখা যায় তা সমূদ্রে ভাসা বরফখন্ডের উপরের অংশের সাথে তুলনা করা যায় । মাত্র ১০%-২০% দেখা যায়। আর যে অংশগুলো না হলেই নয় বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা’ বরফের পানির নীচের অংশের মতো, দেখা যায় না বললেই চলে ।

 

ইউএক্স ডিজাইনার হিসেবে তোমার কাজ হলো ব্যবহারকারীর জন্য “উপকারিতা বা ভ্যালিউ তৈরী”** করা । ইউএক্স পদ্ধতির কিছু অংশ বেশি ভ্যালিউ তৈরী করে আবার অনেক অংশ আছে যেগুলো খুব বেশি ভ্যালুউ তৈরী করে না । তাই তুমি যে পদ্ধতিতে সময় ব্যায় করছ তা ভেবে চিন্তে কর । পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে তুমি বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে জানতে পারবে । এখন তুমি শুধু এইটুকুই জেনে রাখ যে, ক্রমপর্যায়ের বা পিরামিডের সবচেয়ে নিচের বা বড় স্তরটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ । এই ধাপটি অগ্রাহ্য করলে তোমার প্রোডাক্ট সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়বে । এবং এ ধাপের জিনিষগুলো প্রায় দেখা যায় না বললেই চলে । পিরামিডের উপরের দিকের ছোট ছোট স্তুরগুলো, এগুলোতে তুমি যতই সময় আর শ্রম দাও না কেন খুব বেশি ভেলিউ বা উপকারিতা যোগ করে না । এবং এগুলোই সাধারণত দেখা যায় ।

chapter-6

*Wireframes – একটি ডিজাইনের খুবই প্রাথমিক স্তরের চিত্র । সাধরণত কাগজে হাতে চিত্র এঁকে এঁকে অয়্যারফ্রেম তৈরী করা হয় যাতে খবু সহজে, কম খরচে, যখন-তখন, যেখানে-সেখানে বার বার তৈরী করা য়ায় । এর উদ্দেশ্য হলো কোন ডিজাইনের অনেকগুলো আইডিয়াকে তাড়াতাড়ি তৈরী করে পরীক্ষা করা । পরীক্ষার পর পরই যাতে নতুন করে দ্রুত আরেকটি উন্নত সমাধান করা যায় সে ব্যবস্থা করা । যদিও ইদানিং অনেক সফটওয়্যারের মাধ্যমেও তা’ করা যায় ।
**Value – উপকারিতা; মূল্য; দাম ।

সমাধান বনাম আইডিয়া

ইউএক্স ডিজাইনারকে প্রতিদিনই সৃজনশীলতার অনুশীলন করতে হয় । কিন্তু আমাদের সৃজনশীলতায় শৈল্পিকতা থেকে বিশ্লেষণনির্ভরতা অনেক বেশি । অন্যান্য ডিজাইনারদের ক্ষেত্রে শৈল্পিকতার চর্চা যতটা গুরুত্বপূর্ণ আমাদের ক্ষেত্রে সমস্যার কার্যকরী সমাধান ততটাই গুরুত্বপূর্ণ । তুমি যদি সমস্যার সমাধান না করছ তাহলে তুমি কোন প্রকার ইউএক্স-ই করছ না ।

 

সব ডিজাইনাররা আইডিয়া নিয়েই কাজ করে । এবং ভাল আইডিয়া সব সময়ই ভাল !

 

আইডিয়া বিভ্ন্নি রকমের হতে পারে । কিছু আইডিয়া এমন কিছু যা আমরা বানাতে চাই । যেমন: ইলিশ মাছের মিষ্টি ! (যেহেতু আমি ইলিশ মাছ এবং মিষ্টি দু’টোই অনেক পছন্দ করি, দুটো মিলে নিশ্চয়ই এমন কিছু হবে যাতে ডাবল মজা পাওয়া যাবে) । কিছু কিছু আইডিয়া আমরা ব্যক্তিগতভাবে খুবই পছন্দ করি । যেমন: চোখের ভ্রুতে এক ডজন রিং পড়া ।  আর কিছু আইডিয়া হলো সমস্যার সমধান করে । আর এই সমস্যার সমাধান করাই হলো ইউএক্স ।

 

অন্যের কাছে কার্যকরী ও অর্থপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করে এমন কিছুই হলো আইডিয়া ।

 

যেখানে শিল্পী এবং অন্যান্য ডিজাইনাররা নিজের মতো করে ডিজাইন করে, ইউএক্স ডিজাইনাররা করে সম্পূর্ণ তার বিপরীত পদ্ধতিতে এবং উদ্দেশ্যে । তোমাকে সৃজিনশীলতার চর্চা করতে হবে প্রতিনিয়ত । ব্যবহারকারীর কাছে তোমার আইডিয়া পছন্দসই বা অর্থপূর্ণ না হলে সেই আইডিয়ার কোন মূল্য বা প্রয়োজনীয়তা কোনটাই নেই । সেটা তোমার যত পছন্দসই আইডিয়াই হোক না কেন ।

 

এর মানে হলো তোমার এমন সব সমস্যা নিয়ে ভাবতে হবে, কাজ করতে হবে যার সাথে তোমার নিজের কোন সম্পর্ক নেই । প্রথমদিকে ব্যাপারটা একটু গোলমেলে মনে হতে পারে । আর এ জন্যই ইউএক্স খুব স্বতণ্ত্র এবং মূল্যবান বা গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ: দুরূহ তো বটেই ।

 

সমাধান হলো আইডিয়া যা ভুল প্রমাণিত হতেই পারে । এ নিয়ে দুঃখ করার কিছু নেই ।

 

ইউএক্স এ আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারি । একই সমস্যার অনেকগুলো সমাধান বের করতে পারি এবং তাদের প্রত্যেকটিকে পরীক্ষা করে দেখতে পারি কোনটার চেয়ে কোনটা ভাল কাজ করছে । সমাধান হিসেবে কোনটা অন্যগুলোর থেকে ভাল এবং উপযুক্ত । এমনকি ব্যবহারকারীকে জিজ্ঞেস করতে পারি কোন সমাধানটা তার উপযুক্ত ও পছন্দ হয়েছে ।

 

এর মানে হলো ইউএক্স একটি বিশেষ ধরনের ডিজাইন: ডিজাইনটি ভুল হতে পারে । এবং আমরা প্রমাণ করতে পারি যে ডিজাইটি ভুল হয়েছে । অন্যান্য শৈল্পিক ডিজাইনে তা’ সম্ভব না ।

 

একই সমাধান কোন সাইটের জন্য সঠিক হতে পারে আবার অন্য কোন সাইটের জন্য ভুল পর্যবশিত হতে পারে ! টুইটার এর এই ফিচার খুব বিখ্যাত এবং ভাল বলেই যে তা তোমার সাইটের জন্য মানানসই হবে তা’ একেবারেই ঠিক না ।

ব্যবহারকারীর দৃষ্টিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন (কি)

lesson-4

 

আহ, শেষ পর্যন্ত ব্যবহারকারীর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কথা বলার সুযোগ হলো ! স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু করাটাই যুক্তিযুক্ত । বেসিকটা (প্রথম আলো’র কার্টুন “বেসিক আলী” না) ভাল তৈরী হয় এ দিয়ে ।

যে কোন ভাল ডিজাইন এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করে:

  • এটা কি ?
  • এতে ব্যবহারকারীর কি সুযোগ-সুবিধা আছে ?
  • এর পরের ধাপে তাদেরকে কি করতে হবে ?

 

“এটা কি ?”

এই প্রশ্নের উত্তরে সব সময়ই একটা শিরোনাম বা ছবি (অথবা দুটোই) থাকা উচিত । খুবই সাধারণ বিষয়, তাই না ? কিন্তু কত শত ওয়েব সাইট যে এ ব্যাপারটা ভুলে যায় তার কোন ইয়ত্তা নেই । কারণ আমরা ইতিমধ্যেই জানি কোনটা কি, তাই দিতে ভুলে যাই বা দেই না, ভেবে নেই এমন সাধরণ জিনিষ তারাও বুঝে নিবে । কিন্তু ব্যবহারকারী তা আদৌ জানে না । এটা কি একটা প্রবন্ধ ? রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম ? বিয়ের অনুষ্ঠানের কথা বলা হচ্ছে ? ছাগল চড়ানো দেখার জায়গা ? নাকি তোমার বেড়ালের ভিডিওর ইউটিউব চ্যানেল ?

 

সোজা সাপ্টা বলে দাও এটা কি । মামলা খতম । এমন সব সোজা-সাপ্টা সরাসরি শব্দ শিরোনামে ব্যবহার কর যা যে কেউ বুঝতে পারবে । শিরোনাম দেখতে কেউ নিশ্চয়ই ডিকশনারী নিয়ে বসবে না !

 

“এতে আমার জন্য কি আছে ?”

এটা হলো ইউজার এক্সপেরিয়েন্সের “কেন” । ব্যবহারকারী কি পাবে ? কি পাবে তা বলার চেয়ে দিয়ে দেখানোটাই সবাই পছন্দ করে । এ ক্ষেত্রে ভিডিও, ডেমো*, উদাহরণ স্বরূপ ছবি, ফ্রি ট্রায়াল**, কন্টেন্টের কিছু অংশ, অন্য ব্যবহারকারীর প্রশংসা বাক্য, আরো অনেক উপায়ে তা করা যায় ।

 

“এটা কি” এই প্রশ্নের সফল উত্তরে ব্যবহারকারী কি পাবে তাও নিহিত থাকে । উদাহরণস্বরূপ: “সারা পৃথিবীর বিড়াল প্রিয় লোকজন প্ল্যান করছে একসাথে হয়ে পৃথিবী দখল করে নিবে এবং তারা বিড়ালের সুন্দর সুন্দর ছবি/ভিডিও সবাইকে দেখতে বাধ্য করবে ।” বুঝতেই পারছ এরা কি করতে চাচ্ছে আর তুমি এ থেকে কি পাবে (ধরে নিচ্ছি তুমি একজন বিড়াল প্রেমিক – মিঁউ মিঁউউউ) ।

 

মনে রেখ:

তুমি চাচ্ছ তারা রেজিষ্ট্রেশন করুন, ক্লিক করুক বা কিনুক । তুমি চেষ্টা করবে এগুলো তাদেরকে সরাসরি না বলে বুঝাতে এবং করাতে । করলে কি লাভ হবে তা দেখাও বা বোঝাও, বাকী কাজ তারা নিজের গরজেই করবে । তোমার বলতেও হবে না ।

যে কোন কোম্পানির জন্য ব্যবহারকারীর মোটিভেশন*** সৌন্দর্য বা ব্যবহারউপযোগীতা থেকে হাজার গুণ মূল্যবান । কিন্তু কাজের সময় তুমি আসলে এই ব্যাপারটা নিয়ে কতটুকু সময় ব্যায় কর বা কাজ কর ?

 

“এখন আমি কি করব?”

ব্যবহারকারী যদি জানে যে এটা কি এবং তারা আরো জানতে বা দেখতে উৎসাহী হয় তখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তারা এরপর কি করবে তা খুবই স্পস্ট এবং পরিষ্কারভাবে বুঝাতে হবে ।

 

এমনও হতে পারে “আমি এখন কোথায় ক্লিক করব?”  বা “কিভাবে রেজিষ্ট্রেশন করব?” এর মতো খুবই সাধারণ কাজ । বড় কিছুও হতে পারে । যেমন, “আমি কিভাবে শুরু করব?” অথবা “আমি কিভাবে জিনিষটি কিনব ?” বা “আমি কোথায় আরো প্রশিক্ষণ পাব?”

 

সব সময়ই ব্যবহারকারীর জন্য একটি “পরবর্তী কাজ” থাকতে হবে । সব ক্ষেত্রে যদিও তা সম্ভব হয় না । এটা সম্পূর্ণ তোমার দায়িত্ব যে ব্যবহাকারীর কি প্রয়োজন তা খুঁজে বের করা এবং তা কিভাবে সম্পন্ন করতে হবে তা তাদের সহজে বোঝানো ।

 

* Demo – একটি অ্যাপ্লিকেশনের নমুনা ফিচার ব্যবহার করতে দেয়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মূল ফিচারগুলো ব্যবহার করা যায় না ।

** Free Trial – একটি অ্যাপ্লিকেশন নির্দিষ্ট কিছু দিনের জন্য ব্যবহার করতে দেয়া । নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হলে তা আর কোন কাজ করবে না । এক্ষেত্রেও ফিচার ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে ।

*** Motivation – প্রেষণা; প্রণোদন; প্রবর্তন। প্রয়োজনের তাগিদে কোন কিছু করার আগ্রহ বোধ করা এবং করার জন্য কাজ করা ।

নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গী

ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইনে সমস্যার প্রতি তোমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গী সমস্যাটির ভাল একটি সমাধান করতে পারে আবার সমস্যাটিকে আরো বড় আকার দিতে পারে । তোমার নিজস্ব চাহিদা এবং অভিজ্ঞতা ব্যবহারকারীর চাহিদা এবং প্রয়োজনের বিপরীতে কাজ করতে পারে ।

 

নিজেকে জান

ব্যবহারকারীকে ভাল ভাবে জানার আগে নিজের দুটি ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে:

  • তুমি এমন অনেক কিছুই চাও যার সাথে ব্যবহারকারীর চাহিদার কোন সম্পর্ক নেই
  • তুমি এমন অনেক কিছুই জান যা ব্যবহারকারীর কোন দরকার নেই

 

কিছুক্ষণ ধ্যান করে এই বিষয় দুটোকে নিজের মধ্যে স্থায়ীভাবে গেঁথে নাও । আখেরে বিশাল কাজে দিবে !

 

এ্যাম্পাথি: তারা যা চায় তা’ চাওয়া

ইউএক্সে যে কয়টি শব্দকে অতিরিক্ত মূল্যায়ণ করা হয় তার মধ্যে এ্যাম্পাথি অন্যতম । যদিও এটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার । প্রত্যাহিক জীবনে এবং ইউএক্স এর ক্ষেত্রে তো অবশ্যই ।

কিন্তু এতে একটি গোপন ব্যাপার আছে: সিরিয়াল কিলার না হলে তোমার মধ্যে অবশ্যই এ্যাম্পাথি আছে । আর সিরিয়াল কিলার হলে ইউএক্সকে পেশা হিসেবে না নেওয়াই ভাল । আমরা যা চাই ব্যবহারকারী হয়তো তা’ নাও চাইতে পারে । আর এটা খুব বড় একটা ব্যাপার । এর মানে হলো ব্যবহারকারী সম্পর্কে তুমি যে ধারণা করেছ তা সম্পূর্ণ ভুল হতে পারে ।

 

গবেষণা কর । ব্যবহারকারীরর সাথে কথা বল । তথ্য উপাত্ত যোগাড় করে পড় । কাউকে লম্বা একটা হাগ (কোলাকুলি করা) দাও । তুমি যখন একটি সমস্যাকে সঠিকভাবে বুঝতে পারবে তখন সেটা তোমার নিজেরও সমস্যা বলে মনে হবে । তুমি সেই সমস্যা সমাধানে মন-প্রাণ ঢেলে দিবে । আর এটাই হলো এ্যাম্পাথি । তুমি সেটাকে সমাধানের জন্য সব সময় চিন্তা করবে । সমস্যাটাকে সত্যিকারভাবে অনুভব করবে এবং সমাধানের পথ খুঁজবে । ভাল কোন সমাধান পেলে অনন্দে আত্মহারা হবে । ইউরেকা ইউরেকা বলে…। আর এ সবই হবে কারণ, তুমি তোমার নিজেকে ব্যবহারকারীর অবস্থানে নিয়ে যেতে পেরেছ, তাদের সমস্যাকে নিজের সমস্যা হিসেবে দেখে সমাধানে পৌঁছেছ । এখন তুমি তাদেরই একজন ।

 

“আনন্দে দু’ফোটা চোখের জল চলে এল !”

 

প্রশ্নগুলো নিজেকে কর:

  • একটি ফিচার**  তোমার ব্যবহারকারীকে দেয়া অথবা নিজের পোর্টফোলিওতে দেয়া, কোনটা তুমি দিতে চাইব?
  • ব্যবহারকারী যদি তোমার ডিজাইন পছন্দ না করে তার সম্ভাব্য কারণ কি হতে পারে?
  • তুমি কি সত্যিকার ভাবেই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করছ না কি শুধু “নেক্সট” দিয়ে উৎরিয়ে যেতে চাচ্ছ?

 

তুমি খুব বেশি জান

তুমি যা জান তার চেয়ে কম জানা মানুষের জন্য ডিজাইন করাই হলো ইউএক্স এর মূল ব্যাপার ।

 

তারা তোমার থেকে বড় মাপের গাধা না । কিন্তু তারা এ বিষয়ে তোমার থেকে কম জানে  মাত্র।

 

তুমি জান তোমার সাইটকে কাস্টমাইজ***  করতে পারলে সেটা আরো ভাল হবে, কিন্তু ব্যবহারকারী তা জানে না । তুমি জান তোমার সাইটের ম্যানু**** প্রকারভেদ তোমার কোম্পানির জিনিষপত্রের সাথে মিল রেখে করা হয়েছে, কিন্তু ব্যবহারকারী তা’ জান না । তুমি জান যে কন্টেটের***** লাইসেন্স করার জন্য অনেক টাকা খরচ হয় এবং দাম বেশি রাখতে হয়, কিন্তু ব্যবহারকারী সেটা জানে না ।

 

যেহেতু ব্যবহারকারী জানে না, সেহেতু সে ব্যাপারে সে মাথা ঘামাবে না । এমনকি সে জানলেও ওট নিয়ে দুশ্চিন্তা করবে না । ওটা তার সমস্যাই না । লাইসেন্সিং ফি? ওটা তোমার সমস্যা, আমার না । চাইলেই ৫০ টাকা দিয়ে একটা সিডি কিনে উইন্ডোজ ব্যবহার করতে পারি !

 

প্রশ্নগুলো নিজেকে কর:

  • একেবারেই কোন শব্দ না পড়ে বিষয়বস্তু বুঝতে পারা যাবে?
  • ব্যবহারকারী যা খুঁজছে তা পেতে কয়েকটি মাত্র ক্লিক করা লাগলেও এটাই কি তোমার দ্বারা সম্ভব সবচেয়ে ভাল সমাধান?
  • তুমি কি একটি ফিচার বিবেচনা করছ এটা ডেভেলপ করতে কত সময় লাগবে তার উপর ভিত্তি করে নাকি এটা ব্যবহারকারীকে কতটা সুবিধা দিবে তার উপর ভিত্তি করে?
  • তোমার কি ধারণ বাটনটি আছে বলেই ব্যবহারকারী ক্লিক করবে? (মোটেও না)

 

lesson-3

 

* Empathy – অন্যের আবেগ-অনুভূতির সঙ্গে একাত্ম হওয়া । একে আমরা “এ্যাম্পাথি” বলব এখন থেকে ।

** Feature – কিছুর উপাদান বা বৈশিষ্ট হওয়া; এখানে ফিচার বলতে বোঝাচ্ছে কোন একটি কাজ করার সুবিধা । যেমন: একটি ফাইল মুছে ফেলতে পারা একটি ফিচার ।

*** Customize – ব্যবহারকারীর নিজের মতো করে সাজিয়ে নেয়ার সুবিধা । ফেসবুকে আমার কি কি তথ্য অন্যরা দেখবে তা আমি নিজেই ঠিক করে নেই এবং ফেসবুক সেভাবেই দেখায় । এটাকেই কাস্টমাইজ করা বলে ।

**** Menu – খাবার মেনু না ! ওয়েব সাইটের এক পেজ থেকে আরেক পেজে যাওয়ার জন্য মূল যে পেজ লিস্ট থাকে তাকে মেনু বলে ।

***** Content – ওয়েব সাইটে লেখা, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি সবই কন্টেন্ট ।